আস্সালামু আলাকুম।
ইভটিজিং শব্দি ইদানিং বহুল উচ্চারিত হচ্ছে।
আমারাকি এর অর্থ জানি? না জানলে জেনে নেওয়া ভালো। ইভ অর্থ আদি মাতা হাওয়া এবং টিজিং অর্থ উত্যক্ত করা। অতএব ইবটিজিং অর্থ নারি দের উত্যাক্ত করা। ইভটিজিং একটি সামাজিক ব্যাধি। সমাজের বখাটে,মাদকাসক্ত ও উশৃঙ্খল ছেলেরাই ইভটিজিং করে।
তারা রাস্তঅয় ওত পেতে থাকে । কখন মেয়ে যায়।

যে কাজ গুলোকে ইভটিজিং বলে:……..
নানা রকম অঙ্গ ভঙ্কি প্রদর্শন করা,গায়ে পরে আলাপ করা,কুপ্রস্ততাব দেয়া ,নানা অজুহাতে দেখা করতে আসা, শিষ দেয়া , অশ্লীল বাক্যবান নিক্ষেপ করা , ফোন মোবাইলে রিং দিয়ে আলাপ আলাপ জুরে দেয়া।

এখন ইভটিজিং এর পথ ধরে অনেক বিপথগামি,ধর্ষন , হাইজ্যাক ও মৃত্যুর সম্মুখীনও হয়ে থাকে।

এ বিষয়ে ইসলাম যা বলে:
ইসলামে ইভটিজিং একটি সমুলে উৎথাতের ব্যবস্তা রাখা হয়েছে। ইসলাম নারি পুরুসের হজিব পালন করা কে আব্যশ্যক করেছেন। পুরুস নারি সবাই তাদের চক্ষু অবনত রাখবে। যাদের সাথে বিবাহ যায়েজ আছে তাদের কে দেখা দেয়া পাবেনা। কারো বারিতে ডোকর সময় অনুমতি নিয়ে ডূকতে হবে। যদি কেউ সারা না দেয় তাহলে চলে আসতে হবে। কাইকে কষ্ট দেয়া পাবে না , গালি দেয়া, তিরিস্কার তরা ও ভয় দেখানো ইসলাম ধর্মে জঘন্যতম অপরাধ হিসেবে গন্য করা হবে। যেষব কারনে সাদারনত ইভটিজিং এর মত অপরাধ সংঘটিত হয় পরিষেশে এটাই বলে যাই আমার যেন এগুলো থেকে বিরত থাকি।
পরের পার্টে আমি এ বিষয়ে হাদিস ও কোরানের আয়াতের অরকে ব্যাক্ষ্যা করবো। তাই ট্রিকবিডি এর সাথেই থাকুন।

The post ইভটিজিং এর বৈধতা ও অবৈধতা এবং পরিনাম [part 1 ] appeared first on Trickbd.com.

Source: