HomeAll Postযারা বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেন, কোরআনে বলা আছে পৃথিবী সমতল। তারা প্রমাণসহ দেখে নিন আপনারা ভুল।
Advertice Space with sell

Contact With facebook

যারা বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেন, কোরআনে বলা আছে পৃথিবী সমতল। তারা প্রমাণসহ দেখে নিন আপনারা ভুল।

আমরা অনেকে আছি যারা কুরআনের রেফারেন্স দিয়ে বলি যে, পৃথিবী গোল নয় চ্যাপ্টা। এতে আমরা নাস্তিকদের কাছে হাসির পাত্র হই এবং তাদের কাছি অজান্তেই প্রমাণ করিয়ে দেই যে কুরআনে সঠিক তথ্য নেই। নাউজুবিল্লাহ।

তো, যারা এরকম বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেন তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট।

অনেকে কুরআনের আয়াতের ভুল ব্যাখা দিয়ে এসব মন্তব্য করে। তারা দয়া করে এই পোস্ট সম্পূর্ণ পড়তে থাকেন।

আমরা কোরআনের সেই আয়াতে চলে যাই, যেটা নিয়ে অনেকের আপত্তি।

যেটাতে নাকি বলা হচ্ছে পৃথিবী সমতল।

আয়াতটি হলাে- “তিনি তােমাদের জন্য জমিনকে করেছেন বিছানা স্বরূপ। আর তাতে তােমাদের জন্য করেছেন চলার পথ।”

আল্লাহ বলছেন, তিনি আমাদের জন্য জমিনকে করেছেন বিছানা স্বরূপ, কার্পেটের মতাে করে।

বিছানা বলতে আমরা কি বুঝি?

আমরা বুঝি, বিছানা এমন একটি জিনিস, যা নরম, আরামদায়ক। যাতে বিশ্রাম নেওয়া যায়।

এটাকে রূপক হিসেবে ধরি, তাহলে এটা এমন কিছু যাতে স্বচ্ছন্দে বেঁচে থাকা যায়, চলাফেরা করা যায়।

আজকের বিজ্ঞানও আমাদের সেটা বলছে।

বিজ্ঞান আমাদের বলছে, আমাদের পৃথিবীর ভূ-ত্বক মােট ৭টি স্তরে বিভক্ত।

এই স্তরগুলাের মধ্যে সবচে উপরের স্তরের নাম হলাে Crust। এই স্তরের পুরুত্ব ভূ-পৃষ্ট থেকে মাত্র ৩০ কিলােমিটার গভীর পর্যন্ত।

এটিই সেই স্তর, যে স্তরে আমরা বসবাস করি, চলাফেরা করি।এরপরে আছে Mentle।

এই স্তরের পুরুত্ব ২৯০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হলাে ৯০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রায় মানুষ তো দূরের কথা, একটি ক্ষুদ্র জীবও মূহুর্তে ভস্ম হয়ে যাবে।

চিন্তা করাে তাে, পৃথিবীর যে স্তরে আমরা বাস করছি, হাঁটছি, চলছি, ঘুরছি-ফিরছি, তার থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার গভীরে এই ভয়াল স্তর অবস্থিত।

এটা তাে মাত্র দ্বিতীয় স্তরের কথা। এরপরের স্তরের নাম হলাে Outer Core উইকিপিডিয়া মতে, এর পুরুত্ব হলাে ২৮৯০ কিলোমিটার এবং এই স্তরের তাপমাত্রা হলাে ৩৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

পৃথিবীর আভ্যন্তরীণ এইসব স্তরে ঠিক কি ঘটে?

এরপরের স্তরের নাম হলাে Inner core। এটা তাে আরাে ভয়াবহ। এভাবে যত নিচে নামা হয়, স্তরগুলাে ততােই ভয়ানক।

আমরা যে আগ্নেয়গিরির লাভা দেখি, এটা এইসব স্তরের ছােট্ট একটা বিস্ফারণ মাত্র কিন্তু আমরা যে স্তরে থাকি, সেই Crust স্তরের তাপমাত্রা অন্য ৬ স্তরের তাপমাত্রার তুলনায় মাত্র ১%, যা আমাদের বসবাসের উপযােগী।

এখন, এই দিকটার দিকে ইঙ্গিত করে আল্লাহ যদি বলেন, “আমি তােমাদের জন্য ভূমিকে করেছি বিছানা স্বরূপ তাতে কি বােঝায় যে আল্লাহ এটা দ্বারা পৃথিবীর শেইপ বর্ণনা করসেন?

মোটেই না। যাদের ন্যূনতম বুদ্ধি আছে তারা আশা করছি এই প্রমাণ থেকে খুব সহজেই বুঝতে পেরেছেন।

তাহলে কোরআন ইঙ্গিত করছে যে পৃথিবী গােলাকার।

কিছু নাস্তিক আছে কুরআনের আরেকটি আয়াতে নিয়ে সন্দেহ পোষণ করে সেটা বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হয়েছে।

সূরা আর রহমানের ১৭ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ বলছেন,- ‘তিনিই দুই অস্তাচল আর দুই উদয়াচলের মালিক।

এখানে অস্তাচল আর উদয়াচল বলতে সূর্যের উদয়-অস্তের কথা বলা হচ্ছে।

আমরা জানি, পৃথিবীতে একদিনে দুইবার সূর্যোদয় আর দুইবার সূর্যাস্ত ঘটে থাকে।

আমরা বাংলাদেশে যখন সূর্যকে পূর্বদিকে উদিত হতে দেখি, তখন আমেরিকানরা দেখে যে সেখানে সূর্যটা পশ্চিমে ডুবে যাচ্ছে।

তাহলে আমাদের এখানে যখন সকাল,তাদের কাছে তা সন্ধ্যা। আবার, আমরা যখন সূর্যকে পশ্চিমে ডুবে যেতে দেখি, তারা তখন সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে উদিত হতে দেখে।

তার মানে পৃথিবীতে মােট দু’বার সকাল, দু’বার সন্ধ্যা পরিলক্ষিত হয়।

এই প্রমাণগুলো ফেসবুকের এক ভাইয়ের মন্তব্য থেকে নেওয়া হয়েছে।

আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভাল লেগেছে ভাল লাগলে অবশ্যই বেশি বেশি করে শেয়ার করুন যাতে কেউ জেনে বা অজান্তে ইসলামের নাম খারাপ করতে না পারে।

The post যারা বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেন, কোরআনে বলা আছে পৃথিবী সমতল। তারা প্রমাণসহ দেখে নিন আপনারা ভুল। appeared first on Trickbd.com.

Source:

About Author (1536)

This author may not interusted to share anything with others

Leave a Reply

Related Posts

Switch To Desktop Version