Islam: Email/Messaging করার সময় সালাম দেওয়ার জবাব দিতে হবে? ইসলাম কি বলে বিস্তারিত আর্টিকেলে!

Posted on

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। আশা করি আপনারা সকলেই ভাল আছেন আমিও ভালোই আছি। বর্তমান অনলাইন প্রযুক্তির যুগে আমরা প্রায় সকলেই, অনলাইন মুখী হয়ে পড়েছি। বিভিন্ন প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে আমরা অনলাইনে অনেক সময় ব্যয় করে থাকি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন, আমাদের এই প্রযুক্তির সময় জন্ম দিয়েছেন। বিভিন্ন প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে আমরা অনলাইনে, বিশেষ করে ফেসবুকে চ্যাটিং করি।

আজকের এই আর্টিকেলের বিশেষ করে আমরা, খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। যেখানে আপনারা এই প্রযুক্তি নির্ভরতা যুগে, ইমেইল কিংবা মেসেঞ্জিং ব্যবহার করতে হয়। এখন এই ক্ষেত্রে যদি কেউ আমাদের সালাম বিনিময় করে, তাহলে কি তাকে রিপ্লে দেওয়ার জন্য সালাম লিখে জানাতে হবে? নাকি মনে মনে সালামের উত্তর দিলেও হবে? এই বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত আমাদের জানা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি!

ইমেইল কিংবা মেসেঞ্জার ব্যবহার করে যোগাযোগ করার জন্য, সালাম-নেওয়া ইসলামের বিধান কি?

যদিও আমরা ইমেইল কিংবা মেসেঞ্জার ব্যবহার করে থাকি এই প্রযুক্তির যুগে, যদিও বিভিন্ন প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে আমরা মেসেঞ্জার কিংবা ইমেইল এর এসএমএস আদান প্রদান করি। সেটা যেকোন সময় যেকোন জায়গায় যেকোন প্রান্ত থেকেই আমরা কথোপকথন করতে পারি।

সালাম দেওয়া নেওয়া ইসলামের বিধান কেমন?

ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম, আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে দেখা হলে, সালাম বিনিময় করা উত্তম। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন, মানুষের সাথে কথা বলার পূর্বে সালাম বিনিময় করতেন। এমন কিছু সাহাবাগণ এদের ক্ষেত্রেও সালাম বিনিময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের শেষ প্রেরিত নবী ও রাসূল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরপর আর কোন নবী রাসূলগণ দুনিয়াতে আগমন করবেনা। অর্থাৎ ইসলাম ধর্ম হলো পৃথিবীর মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে একমাত্র গ্রহণযোগ্য ধর্ম। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নবী-রাসূলগনকে পাঠান হেদায়েতের জন্য। এদিকে ইসলাম ধর্মই হলো হেদায়েতের শেষ বার্তা। কিয়ামত পর্যন্ত আর কোন ধর্ম আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পাঠাবেন না।

তাছাড়া নামাজ এবং রোজা হজ্ব যাকাত সম্পর্কে অবশ্যই ঈমানদারের, সবকিছু পালন করা এবং সবকিছু মেনে নেওয়া ইসলামে খুবই জরুরী। অন্যদিকে সালাম বিনিময় এর গুরুত্ব অপরিসীম। সুতরাং কেউ যদি সালাম বিনিময় করে সাথে সাথে তাকে উত্তর দেওয়া উত্তম কাজ। সালামের অর্থ হলো, তার উপরে শান্তি বর্ষিত হোক এবং আল্লাহ রব্বুল আলামীনের রহমান। এখন আমাদের প্রশ্ন হল এই সালাম বিনিময় করলে,

ই-মেইল কিংবা মেসেঞ্জারের যদি কেউ সালাম লিখে আর তা হলে, উত্তর দেব না- কি? কোনটা সালামের উত্তর লিখে পাঠাতে হবে? ঠিক সেক্ষেত্রে ফুকাহায়ে কেরামের বক্তব্য হচ্ছে,,,, লিখিত সালামের জবাব লিখেও দেওয়া যায় আবার মুখে উচ্চারণ করেও দেওয়া যায়।লিখিত আলাপচারিতায় সালাম দেওয়া ও সালামের জবাবের ক্ষেত্রে,

ইসলামের বিধান কী- অনেকেই প্রশ্নের সম্মুখীন হন। অর্থাৎ সালাম বিনিময় যদি ফেসবুক মেসেঞ্জার কিংবা ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হয়, তাহলে রিপ্লে দিয়ে তাকে কি সালামের উত্তর দেওয়া জরুরী। বন্ধুরা সূত্রটি ইসলামের আলো থেকে আমাদের নেওয়া তাই দেরি না করে চলুন এই সমস্যার সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত এখনি জেনে নিন।

প্রযুক্তিনির্ভরতার এ যুগে জরুরি প্রায় অনেক কাজেই নিয়মিত ই-মেইল বা মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে হয়। একই দিনে একজন ব্যক্তির সঙ্গে
একাধিকবারও যোগাযোগ করতে হয়। সুতরাং ই-মেইল বা মেসেঞ্জার যা-ই হোক বা অন্য কোনো মাধ্যম হোক

কেউ সালাম দিলে তার জবাব চাইলে লিখেও পাঠানো যাবে অথবা নিজে নিজে মুখে জবাব দিলেও হবে। এক্ষেত্রে মৌখিক জবাব তাকে শুনিয়ে দেওয়া জরুরি নয় এবং সালামের জবাবের জন্য তাকে পাল্টা উত্তর লেখা কিংবা ফোন করে জানানো কোনোটিই জরুরি নয়। বরং একাকী মুখে জবাব দিয়ে দিলেই হবে। [ফয়যুল কাদির- ৪–৩১– রদ্দুল মুহতারঃ ৬/৪১৫ ]

সূত্র: ইসলামের আলো

আর্টিকেল সম্পর্কিত শেষ কথা?

সুপ্রিয় বন্ধুরা আশাকরি আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের একটু হলেও ভালো লেগেছে। ভালো লাগলে অবশ্যই আর্টিকেলটি আরো বেশি বেশি করে শেয়ার করে বন্ধুদেরকে জানিয়ে দিবেন। বরাবরের মতো আমাদের আজকের আর্টিকেলটি এপর্যন্তই দেখা হবে অন্য কোন আর্টিকেলে। ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন নিরাপদে থাকবেন, আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।

The post Islam: Email/Messaging করার সময় সালাম দেওয়ার জবাব দিতে হবে? ইসলাম কি বলে বিস্তারিত আর্টিকেলে! appeared first on Trickbd.com.

Source:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *