Keylogger কি?

এটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম সফ্টওয়্যার যা ব্যক্তিগত কম্পিউটারে সমস্ত টাইপ রেকর্ড করে এবং সেভ করে। যদি আপনার কম্পিউটারে Keylogger ইন্সটল করা থাকে, তাহলে এটি আপনার কম্পিউটারে ঘটে যাওয়া সমস্ত কার্যক্রম যেমন ইন্টারনেট সার্চ, ডকুমেন্ট, টাইপ, মেইল, ইউআরএল, পাসওয়ার্ড, সব ধরনের তথ্য সেভ করে রাখবে।

আপনি জেনে অবাক হবেন যে Keylogger গোপনে কম্পিউটারে সবকিছু রেকর্ড করে, এমনকি আপনি কীবোর্ড থেকে কিছু টাইপ করলেও, আপনি যা টাইপ করেছেন তাও এটি রেকর্ড করে। এত বিপজ্জনক সফ্টওয়্যার হওয়ার পরেও এটি
আইনি কাজে ব্যবহৃত হয়। কাজ Keylogger তৈরি করা হয়েছিল শুধুমাত্র আইনি কার্যক্রম রেকর্ড করার জন্য কিন্তু এরপর এটা হ্যকিং এর কাজও ব্যবহার হচ্ছে।

Keylogger হল ফেসবুক হ্যাক করার একটি উপায়। এই সফটওয়্যারটি ভিক্টিমের কম্পিউটার বা তার ডিভাইসে ইন্সটল করাতে হবে। এরপর ভিক্টিম যা-যা কীবোর্ড ব্যবহার করে ক্লিক করবে বা কীবোর্ড দিয়ে যা লিখবে । আপনি আপনার কম্পিউটারে টেক্সট আকারে তার সব লেখা তথ্য পাবেন।

মূলত, তার কীবোর্ড এর সাহায্যে সে যা কিছু টাইপ করবে সেগুলো Keylogger আ্যাপ সেভ করে আপনাকে পাঠাবে।

কী-লগার কীবোর্ড

কী-লগার এর জন্য একটি Android অ্যাপ রয়েছে। আপনি এটি ইনস্টল করলে আপনার সমস্ত টাইপিং সেভ করে রাখবে।

এই কীবোর্ড আপনার ভিক্টিমের মোবাইলে ইন্সটল করে দিলে তার সমস্ত টাইপিং সেইভ করে রাখবে। এবং পর্বতীতে এটিতে গিয়ে মেসেজ, টাইপিং, অন্যান্য তথ্য দেখতে পারবেন।

সেরা কী-লগার অ্যাপ লিস্ট

  1. mSpy
  2. eyeZy
  3.  SpyBubble
  4. uMobix
  5. XNSPY
  6. Cocospy
  7. Hoverwatch
  8. FlexiSPY
  9. Snoopza
  10. The WiSpy Keylogger App
  11. Spyine
  12. Minspy
  13. Spyier
  14. Spyic

এছাড়া আরও নিষিদ্ধ কী-লগার আ্যাপ ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। আপনার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সেগুলো খুজে বের করতে পারেন। উপরের আ্যাপ গুলো থেকে আপনি সব কী-লগিং সুভিধা পাবেন না।

কী-লগের ব্যবহার

এটি ইউজ করে মানুষ যেমন অবৈধ কার্যক্রম করে, তেমনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা হয়।

  • আইটি কোম্পানি কীলগার ব্যবহার করে যাতে তারা জানতে পারে যে তাদের কর্মচারীরা কাজের সময় কী করে।
  • সাইবার ক্যাফেতে কীলগার সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছিল যাতে কোনো অবৈধ কার্যক্রম সনাক্ত করা যায়।
  • পিতামাতা তার সন্তাদের উপর নজরদারি জন্য এটি ইউজ করে।
  • পুলিশ বা গোয়েন্দা সংস্থা কারোর উপর নজরদারি জন্য রিমোট কীলগার ইউজ করে।

এটা একটা অসাধারণ সিস্টেম, আপনার বুদ্ধি ব্যাবহার করে আপনি যেকারোর উপর নজরদারি সহ ফেসবুক,জিমেইল ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট হ্যাক করতে পারেন।

সতর্কীকরণ –  এই পোস্ট শুধুমাত্র শিক্ষার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে যাতে আপনি হ্যাকিং সম্পর্কে জানতে পারেন এবং এসব থেকে বাঁচতে পারেন। যদি আপনি এই ব্লগপোস্ট পড়ার পরে, আপনি যদি কারো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেন , তাহলে এর জন্য জেল হতে পারে এবং আপনি এর জন্য দায়ী থাকবেন, তাই হ্যাকিং এর অপব্যবহার করবেন না। 

ফেসবুকে আমি facebook

The post Keylogger কি? ফেসবুক হ্যাকে এটা কিভাবে ব্যবহার করে? appeared first on Trickbd.com.

Source:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *