HomeAll PostOppo Reno 3 Pro বাংলা রিভিউ | চলেনা দৌড়াই!
Advertice Space with sell

Contact With facebook

Oppo Reno 3 Pro বাংলা রিভিউ | চলেনা দৌড়াই!


This is oppo Reno 3 Pro এই ফোনটা বাংলাদেশের বাজারে অফিশিয়ালি রিলিজ হয়েছে বেশ কয়েকদিন আগেই, এবং এটা একটা ভেরিয়েন্ট পাবেন সেটি হচ্ছে ৮-২৫৬ আর প্রাইস ৩৯ হাজার ৯৯০ টাকা বা প্রায় 40,000 টাকা!

সব প্রাইস বিবেচনা করলে ওপো রেনো থ্রি প্রো বাংলাদেশের মার্কেটে একটি হায়ার মিড রেঞ্জ ক্যাটাগরির ফোন! আমি রিলিজের পর থেকেই এই ফোনটি কে ইউজ করছি আমার ডেইলি ড্রাইভার হিসেবে।
অ্যান্ড নট অনলি রেনো থ্রি প্রো এর আগেও রেনো সিরিজের বেশ কয়েকটা স্মার্ট ফোন আমি ইউজ করেছি এন টু বি অনেস্ট রেনো সিরিজের ব্যাপারে আমি অলওয়েজ শুরু থেকেই যেটা দেখছি। ডিজাইন বা ইনোভেশন সেগমেন্টে এই সিরিজটা বরাবরই বেশ এগিয়ে।

আজকের পোস্টে আমরা দেখব বা জানবো অপো রেনো 3 প্র একটা হায়ার মিড রেঞ্জ ক্যাটাগরিরর ফোন হিসেবে এই ফোনটার ডিজাইন ডিসপ্লে পারফরম্যান্স ক্যামেরা ব্যাটারি এই সেগমেন্টে আমাকে সন্তুষ্ট করতে পারে কিনা,
এন্ড সবথেকে বড় ব্যাপার ৪০ হাজার টাকায় এই ফোনটা জাস্টিফায়েড কিনা।

সো হ্যালো ভিউয়ার্স আমি রাতুল আপনারা দেখছেন ট্রিকবিডি আশা করছি আজকের পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন।


তো শুরুতে ডিজাইন যেমনটা বললাম রেনো সিরিজের ডিজাইনটাই হচ্ছে এই সিরিজের বড় একটা অংশ বাট এই ফোনের ক্ষেত্রে আমার কাছে মনে হয় যে অপো একটা চেনা জানা কোন একটা ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইম্প্লেমেন্ট করেছে। এটলিস্ট আপনি যদি রেনো সিরিজের বাকি ফোন গুলোর সাথে এই ফোনটা কি একটু side-by-side দেখেন, তাহলে আমার পার্সোনালি মনে হয় এই ফোনটিতে আপনার একটু সাদামাটাই মনে হবে।
তবে মোটেই ব্যাড লুকিং কোন ডিভাইস নয়।

আউটলুকে এই স্মার্টফোন আমার কাছে ট্রুলি বিউটিফুল লেগেছে এন্ড এর ব্যাক সাইট থেকে কার বেছ হওয়ার কারণে
হাতেও আমার কাছে বেশ কম্পিটেবল লেগেছে। তবে ফোনটা আগাগোড়া কমপ্লিট প্লাস্টিক বিল্ট, যার কারণে এটা দেখতে যতই সুন্দর হোক না কেন। এটলিস্ট এত টাকা প্রাইজের ফোনে আমার কাছেই বিষয়টি হজম হলো না। কিন্তু আপনি অবশ্যই অবশ্যই ফোনটা হাতে নিয়ে প্রিমিয়াম ফিল পাবেন।
আর ফোনটার ওজন খুব একটা বেশি নয় তবে আমার মনে হয় গ্লাস ব্যাক মেটাল ফেম যদি হতো তাহলে মানা যেত।

তো বকিছুর বাইরে ফোনের বাটন প্লেসমেন্ট ঠিকঠাকই ছিল, স্পোর্ট এর মধ্যেও ইউএসবি type-c থাকছে, ৩.৫ এম এম অডিও জ্যাক থাকছে, এবং সেই সাথে থাকছে ডুয়েল সিম কার্ড এর পাশাপাশি ডেডিকেটেড এইচডি কার্ড এর সুবিধা।
আরেকটা ব্যাপার ছিল যে ফোনের ক্যামেরা বামটা খানিকটা বড় যার কারণে ডেইলি লাইফ ইউজ করতে কিছুটা প্রবলেম হতে পারে।
তবে এটা খুব একটা বড় সমস্যা না।


এবার চলে আসি ফ্রন্টে!
ভালো লেগেছে এর ৬.৪ ইন্স সুপার এমোলেড ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে উইথ কর্নিং গরিল্লা গ্লাস ৫ পাঞ্চ হল লুক টা নিয়ে আমার কোন কমপ্লেন নেই এটা একটা কুল ডিজাইন।
ডিসপ্লের কোয়ালিটি আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে, সার্ফ কালারফুল ভাইব্রান্ট আই থিং সানলাইট এর এগেনস্টে ও এনাফ ব্রাইট!
কনটেন্ট ওয়াচিং এর এক্সপেরিয়েন্স ও মারাত্মক জাস্ট অসাধারণ বলবো। স্পেশালি এর ব্ল্যাক লেবেল খুবই ডিপ হওয়ার কারণে দেখতে সত্যিই আমেজিং লেগেছে বাট এটা রেগুলার 60hz প্যানেল।

ডিসপ্লেটা যেহেতু সুপার এমোলেড তাই এখানে থাকছে ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার যেটা খুবই ফাস্ট এন্ড রেস্পন্সিভ কাজ করেছে আনলকিং এ,
এন্ড এর বাইরে এই স্মার্টফোনে ফেস আনলক এর মত ফিচার ও পেয়ে যাচ্ছেন যেটা বেশ দুর্দান্ত ফাস্ট।


তো এবার কথা বলছি এই ফোনের ক্যামেরা নিয়ে বিকজ এই ফোনের হাইলাইট ফিচার হচ্ছে এটি।
সবার আগে ফ্রন্ট ক্যামেরা নিয়ে কথা বলি এখানে পাঞ্চ হল এ থাকছে ডুয়েল সেলফি ক্যামেরা এখানে প্রাইমারি সেলফি ক্যামেরা হচ্ছে ৪৪ মেগাপিক্সেলের এন্ড সাথে থাকছে ২ মেগাপিক্সেল ডেপ সেন্সর।
ডেফিনেটলি এখানে একটা আল্ট্রা ওয়াইড লেন্স থাকলে ব্যাপারটা জমে ক্ষীর হয়ে যেত। আমরা এর আগে ওপোর বেশ কয়েকটি স্মার্টফোনে ফ্রন্টে আল্ট্রা ওয়াইড লেন্স দেখেছি।

তবে আর যাই হোক সেলফি রেজাল্ট নিচে দেয়া হলো আপনারা হয়তো অলরেডি দেখে ফেলেছেন, সত্যি বলতে আসলেই অসাধারণ।




রিয়ারে থাকছে কোয়াট ক্যামেরা সেটআপ ৬৪ মেগাপিক্সেলের F1.8 মেইন শুটার ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা ওয়াইড ১৩ মেগা পিক্সেলের টেলিফটো লেন্স এন্ড ২ মেগা পিক্সেলের মনো লেন্স।
রিয়েল লাইফ এক্সপেরিয়েন্স এ এই ফোনের মেইন ক্যামেরা ডেলাইটে খুবই ভালো এক্সপেরিয়েন্স দিয়েছে।


তো শুধু এটুকুই বলবো সব মিলিয়ে ডেলাইট লাইট লো লাইট সব সিচুয়েশনের জন্যই পার্ফেক্ট ক্যামেরা সেটআপ পাবেন এই ফোনে।
তো আই থিঙ্ক ক্যামেরা লাভারদের জন্য এই ফোনটা আমি সাজেস্ট করতে পারি।
কিন্তু ক্যামেরায় তো সব কিছু নাই পারফরম্যান্স এরও একটা ব্যাপার স্যাপার আছে।


তো চলুন এবার পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলি।
পারফরম্যান্স সেক্টর এখানে থাকছে MediaTek helio p95 চিপ যেখানে থাকতে দুটি cortex A75 ২.২ গিগাহার্জ এর কোর এন্ড ছয়টা cortex A55 ২ গিগাহার্জ কোর জিপিইউ থাকছে PowerVR GM9446
৮ জিবি lpddr4x র্যাম এন্ড ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজঃ

তো রিয়েল লাইফ পারফরমেন্সে একেবারে আমার এক্সপেরিয়েন্স টাই বলি।
টু বি অনেস্ট আমার এক্সপেরিয়েন্স এ oppo Reno 3 Pro পাস মার্ক পাবে বাংলাদেশের ম্যাক্সিমাম মানুষই পারফরম্যান্স বলতে যেটা বুঝেন বা ৪০ হাজার টাকা প্রাইজের স্মার্টফোনে তারা যে পারফরম্যান্স একটা ফোন থেকে এক্সপেক্ট করেন সেই পয়েন্ট থেকে এই ফোনটি পারফেক্ট না।

আই মিন এখানে বাটারি স্মুথ হাই গ্রাফিক্স গেম এক্সপেরিয়েন্স বা প্রচুর পরিমাণে মাল্টিটাস্কিং লাইক এ ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস হয়ত পাবেন না।
তবে জেনারেল ইউজের পারফরম্যান্স ডে টু ডে টাস্ক গেমিং স্টেবিলিটি ক্যামেরা ইউজ করা বা ভিডিও করা বা দেখা অর্থাৎ জিপিইউ এর পার্ট রয়েছে সেখানে একটা হায়ার মিড রেঞ্জ ডিভাইস হিসেবে বেশ ভালই রেজাল্ট পাবেন।

তো আপনি হয়তো এর অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ৮ জিবি র্যাম থাকার কারণে গেমিং গেমিং নিয়ে অনেক কথা শুনবেন বাট আমার মতে যারা স্পেশালি গেমিং টার্গেট অডিয়েন্স তাদের জন্য মোটেই স্মার্টফোন নয়।
এটা হচ্ছে তাদের জন্য যারা একটু হায়ার প্রাইস এ একটা ব্যালেন্স লংটাইম ইউজের জন্য স্মার্টফোন খুঁজছেন তাদের জন্যই বেস্ট।


সফটওয়্যার নিয়ে বলবো।
ওপোর কালার ওএস ৭ অন top-up অ্যান্ড্রয়েড ১০ এ আমার কাছে খারাপ এক্সপেরিয়েন্স দেয়নি।


ব্যাটারি সেগমেন্টে ৪০২৫ মিলি এম্পিয়ার এর একটি ব্যাটারি উইথ ফ্লাশ চার্জ ৪৩১ সবমিলিয়ে ডে লং ব্যাটারি পাবেন এখানে চার্জিং স্পিডো ছিল স্যাটিস্ফাইড হওয়ার মত।
আমার হেবি ইউজে ৬ থেকে ৭ ঘন্টা স্কিন অন টাইম পেয়েছি যেটা একটা হায়ার mid-range ডিভাইস হিসাবে সত্যিই ভালো।

আমার মতে ৪,০০০০ টাকা প্রাইস এ এই ফোনটি যা যা অফার করছে সেই অনুযায়ী একটি হায়ার মিড রেঞ্জ স্মার্টফোন হিসেবে এটা একটু ওভার প্রাইস।
ওয়েট আই হ্যাভ মাই লজিক প্রথমত রেনো সিরিজের যে ইউনিক স্টাইলিশ লুক আমি পার্সোনালি বলব সেই ইউনিক স্টাইলিশ লুক এখানে মিসিং রয়েছে। এটা আরও extra-ordinary করা যেত।

ইভেন পারফরম্যান্স সেক্টরেও এটা সব ধরনের মানুষকে স্যাটিস্ফাইড করতে পারবে না এখানে পারফরম্যান্স আরেকটু বেটার করতে পারতো। স্টিল MediaTek helio p95 কোনভাবেই একটি খারাপ চিপসেট নয়।
সবমিলিয়ে বলবো একটি হায়ার মিড রেঞ্জ স্মার্টফোন হিসেবে যতগুলো বক্সে টিক দিয়া লাগে সবগুলোতেই টিক দিবে, বাট প্রাইস টা কিছুটা কম হলে আই থিঙ্ক এটা সবার জন্য রিকুমেন্ট করার মত ডিভাইস ছিল তো এই ছিল ওপিনিয়ন।

পোস্ট টি স্পন্সর করেছে একটি ছোট ইউটিউবার তো এই লিংকে ক্লিক করে সবাইকেই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

যেকোনো ডলার কেনাবেচা করুন খুব সহজে এই লিংকে ক্লিক করে!

পোস্টটি ভাল লাগলে লাইক করুন কমেন্টে জানিয়ে দিন আপনার ওপিনিয়ন এবং পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দেন। আবারো দেখা হবে নতুন কোন স্মার্টফোনের সাথে ততক্ষণ পর্যন্ত ভাল থাকুন আল্লাহ হাফেজ।

The post Oppo Reno 3 Pro বাংলা রিভিউ | চলেনা দৌড়াই! appeared first on Trickbd.com.

Source:

About Author (1531)

This author may not interusted to share anything with others

Leave a Reply

Related Posts

Switch To Desktop Version